সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০৫:০৭ পূর্বাহ্ন
সংবাদ শিরোনাম :
বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হাইকোর্টের রায় আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত নিয়েছে আওয়ামী লীগ রাজবাড়ী সদরের বিভিন্ন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনুদানের চেক-গাছের চারা বিতরণ রাজবাড়ীতে সংসদ সদস্যদ্বয়ের অংশগ্রহণে জেলা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদরের গোদার বাজারে নদীর ভাঙন রক্ষার চলমান কাজ পরিদর্শনে এমপি সালমা চৌধুরী রুমা নতুন নিয়মে হবে বাংলাদেশ পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগ রাজবাড়ীর আবুল হোসেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ দুলালের বিরুদ্ধে অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ রাজবাড়ীর আবুল হোসেন কলেজের গভর্নিং বডি’র সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষসহ ৪জনকে লিগ্যাল নোটিশ দৌলতদিয়ায় মহাসড়কে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে দুই যুবক গ্রেফতার দৌলতদিয়ায় র‌্যাবের অভিযানে আটক ১ব্যক্তির ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

আশানুরূপ ফলন না হওয়ায় পদ্মার নদীর চরের চিনা বাদাম চাষীদের মাথায় হাত

  • আপডেট টাইম : সোমবার, ১৫ জুলাই, ২০১৯, ৯.০০ পিএম
  • ২৫০ বার পঠিত

॥কাজী তানভীর মাহমুদ॥ রাজবাড়ী জেলার বিভিন্ন এলাকার পদ্মা নদীর চরের চিনা বাদাম চাষীরা এবার লোকসানের মুখে পড়েছেন।
তাদের অভিযোগ, ভালোভাবে চাষাবাদ করার পরও মাটির উর্ব্বরতা হ্রাস ও কৃষি বিভাগের সহায়তা না পাওয়ার কারণে এবার চিনা বাদামের আশানুরূপ ফলন মেলেনি।
গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া এলাকার পদ্মা নদীর তীরবর্তী বিস্তীর্ণ চরের জমিতে কয়েক হেক্টর জমিতে ঢাকা-১, বিনা-৪, মাইজ চর ও লোকাল জাতসহ কয়েকটি জাতের চিনাবাদাম চাষ করেছেন চাষীরা। সেখানকার হোসেন আলী শেখ নামের একজন বাদাম চাষী বলেন, এবার ৪০ পাখি জমিতে (৩৩ শতাংশে ১ পাখি) বাদামের চাষ করেছি। গত বছর প্রতি পাখি জমিতে ৬ বস্তা করে বাদাম পেলেও এ বছর মাত্র ৩ বস্তা করে পেয়েছি।
হাজু বেগম নামের আরেকজন কৃষাণী বলেন, গত বছর যেখানে ৮ মণ বাদাম হয়েছিল-এবার সেখানে মাত্র ২ মণ হয়েছে। জমির উৎপাদন ক্ষমতা কমে গেছে। এর পাশাপাশি কৃষি বিভাগের কোন লোক আমাদেরকে বাদাম চাষের ব্যাপারে কোন পরামর্শ দেয়নি। তারা আসেইনি।
এলাহী মন্ডল নামের আরেকজন বাদাম চাষী বলেন, শুকানো বাদাম ২ হাজার ৫শ’ আর ভেজা বাদাম ২ হাজার টাকা বস্তা বিক্রি করছি। আশানুরূপ ফলন না পাওয়ার এবার আমরা লোকসানে পড়েছি।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কার্যালয়ের তথ্য মতে, রাজবাড়ী জেলায় এবার ৯৫০ হেক্টর জমিতে বাদাম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। তবে আবাদ হয়েছে ৭৭৫ হেক্টর জমিতে। হেক্টর প্রতি বাদাম উৎপাদন হয়েছে ১ হাজার ৭৫০ কেজি, যা ৭৭৫ হেক্টরের হিসেবে ১ হাজার ৩৬৩ টন।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ফললুর রহমান বলেন, বাদাম চাষীরা উন্নত জাতের বাদামের বীজ ব্যবহার না করে স্থানীয় পর্যায় থেকে বীজ সংগ্রহ করে চাষাবাদ করায় আশানুরূপ ফলন হয়নি। এছাড়া চলতি মৌসুমের শুরুর দিকে বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমে যাওয়ায় বাদামের ফলন কম হয়েছে। চাষীদেরকে সবসময় উন্নত জাতের বীজ ব্যবহার করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। বাদাম চাষীরা গ্রুপ ভিত্তিক বাদাম সংগ্রহ করে বড় বাজারে নিয়ে বিক্রি করলে দাম ভালো পাবে বলে আশা করি। ভালো বীজ ব্যবহারের জন্য কৃষকদের মাঝে বীনা-৪ বীজের প্রদর্শনী আকারে দেওয়া হয়েছে গোয়ালন্দ উপজেলার দেবগ্রামে। উন্নত বীজ ও সঠিক মৌসুমে জৈব সার ব্যবহারের মাধ্যমে বাদাম চাষ করলে কৃষকরা লাভের মুখ দেখবে। কৃষি পরামর্শ পেতে ১৬১২৩ অথবা ৩৩৩১ নম্বরে ফোন করতে পারেন চাষীরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..

Leave a Reply

Your email address will not be published.

© All rights reserved  2019 Rajbarisangbad
Theme Developed BY ThemesBazar.Com